সুপ্রভাত ঢাকা

যে কারণে ব্যালন ডি’অর জিতলে পুরস্কারটি আফ্রিকাকে উৎসর্গ করবেন এমবাপ্পে

যে কারণে ব্যালন ডি’অর জিতলে পুরস্কারটি আফ্রিকাকে উৎসর্গ করবেন এমবাপ্পে
যে কারণে ব্যালন ডি’অর জিতলে পুরস্কারটি আফ্রিকাকে উৎসর্গ করবেন এমবাপ্পে

ফ্রান্সে জন্ম, ফ্রান্সের জার্সিতেই আন্তর্জাতিক ফুটবলের সাফল্য, তবু আফ্রিকান শিকড়ের সঙ্গে সম্পর্ক কখনো ছিন্ন করেননি কিলিয়ান এমবাপ্পে। এবার ব্যালন ডি’অর ঘিরে সেই শিকড়ের প্রসঙ্গই নতুন করে সামনে এসেছে। পুরস্কারটি জিততে পারলে তা আফ্রিকাকে উৎসর্গ করার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা।

প্যারিসের বন্ডিতে বেড়ে ওঠা এমবাপ্পের বাবা উইলফ্রিড ক্যামেরুনের নাগরিক। তার মা ফায়জা লামারি ফরাসি হলেও তার পারিবারিক শিকড় আলজেরিয়ায়। ফলে ফরাসি পরিচয়ের পাশাপাশি আফ্রিকান ঐতিহ্যের সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত এমবাপ্পে।

ইএসপিএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আরএফআইকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের শিকড় নিয়ে এমবাপ্পে বলেন, ‘আমার জন্ম ফ্রান্সে এবং ফ্রান্সের জন্যই আমি সবকিছু করেছি। কিন্তু একই সঙ্গে আমি আফ্রিকান সংস্কৃতির মধ্যেই বেড়ে উঠেছি। আমার শিকড় ও আমার উৎসের সঙ্গে আমি কখনোই সম্পর্ক ছিন্ন করিনি।’

বয়স বাড়ার সঙ্গে আলজেরীয় আত্মীয়দের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে, চলতি বছরের শুরুতে এমনটিও জানিয়েছিলেন এমবাপ্পে। তবে শৈশবে ক্যামেরুনিয়ান আত্মীয়দের সঙ্গেই তার যোগাযোগ ছিল বেশি। ২০২৩ সালে বাবার গ্রামের জেবালেতেও গিয়েছিলেন তিনি।

এবারের ব্যালন ডি’অর ভোটেও আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব কম নয়। ২০২৬ সালের পুরস্কারের ১০০ সদস্যের আন্তর্জাতিক জুরিতে আফ্রিকার ২০টি দেশ রয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে আফ্রিকান সাংবাদিকদের সমর্থন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে এমবাপ্পে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এরপরই ব্যালন ডি’অর জিতলে পুরস্কারটি আফ্রিকাকে উৎসর্গ করার ইচ্ছার কথা জানান তিনি।

এমবাপ্পে বলেন, ‘আমি আশা করি ব্যালন ডি’অর জিততে পারব এবং কোনো না কোনোভাবে এই পুরস্কার তাদের উৎসর্গও করব।’

তার এই বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে, আফ্রিকান ভোটারদের সমর্থনের বিষয়টি কি এমবাপ্পের বিবেচনায় ছিল? তবে সেটি নিশ্চিত করে বলার মতো কোনো প্রমাণ নেই। বরং আফ্রিকার সঙ্গে এমবাপ্পের সম্পর্ক অনেক পুরোনো এবং তার পারিবারিক শিকড় নিয়েও তিনি আগেও প্রকাশ্যে কথা বলেছেন।