২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের কাছাকাছি গিয়েও হতাশ হতে হয়েছে রোহিত শর্মার ভারতকে। তার মতো আরেক তারকা বিরাট কোহলিরও অন্যতম আক্ষেপের নাম ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ২০২৭ বিশ্বকাপ খেলার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তারা কেবল এই ফরম্যাটে খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে রোহিত-কোহলির বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়া নিয়ে নানা গুঞ্জন শোনা যায়। উভয়েই খেললে আইসিসির ওই মেগা আসরে ভারতের ৯০ শতাংশ জয়ের সম্ভাবনা দেখছেন সুরেশ রায়না।
রোহিত-কোহলির বয়স বাড়ছে, এর পাশাপাশি কোনো ম্যাচে বাজে পারফরম্যান্স কিংবা চোট পেলেই ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে তাদের জায়গা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। কেউ মনে করেন, দলে তাদের প্রয়োজন রয়েছে। আবার কারও মতে, ভারতীয় ক্রিকেটে যথেষ্ট প্রতিভা থাকায় তাদের জায়গায় অন্যদের সুযোগ দেওয়া সম্ভব। রায়না অবশ্য তাদের পক্ষে নিজের যুক্তি দিয়েছেন।
রেডিফ ডটকমকে রায়না বলেন, ‘আমাদের ঘরেই একজন রান মেশিন (বিরাট কোহলি) আছে এবং এমন একজন দুর্দান্ত অধিনায়ক (রোহিত শর্মা) আছে, যিনি আইপিএল ও দেশের হয়ে অনেক ট্রফি জিতেছেন। রোহিত ও কোহলির কোনো পরিচয়ের প্রয়োজন নেই, কারণ আমি তাদের সঙ্গে অনেক ম্যাচ খেলেছি। এবার আমরা দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়েতে বিশ্বকাপ খেলব। আমার মনে হয়, দলে তাদের দুজনকে পাওয়া গেলে আমাদের ট্রফি জয়ের ৯০ শতাংশ সম্ভাবনা থাকবে।’
তবে সাবেক ভারতীয় নির্বাচক সন্দীপ পাতিলও বছরের পর বছর দুই অভিজ্ঞ ব্যাটারের জাতীয় দলে অবদানের প্রশংসা করেছেন। একইসঙ্গে প্রয়োজন হলে পরবর্তী প্রজন্ম তাদের জায়গা নেওয়া নিয়েও উদ্বিগ্ন নন তিনি। পাতিল বলছেন, ‘এটা এই দুই খেলোয়াড়ের ওপরই নির্ভর করছে। তারা কি খেলা চালিয়ে যেতে চাইবে? তারা কি নিজেদের ফিটনেস ধরে রাখতে পারবে? নির্বাচকদের কৌশল কী? নির্বাচকরা কি ভবিষ্যতের দিকে তাকাচ্ছেন?’
‘বর্তমান খেলোয়াড়দের পাশাপাশি আমাদের সব সময় বিবেচনা করতে হবে– সময় এলে দল থেকে তাদের বাদ দিতে হলে তাদের জায়গা নেওয়ার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী কেউ আছে কি না। ভারতীয় দলের বেঞ্চের শক্তির কথা বিবেচনা করলে আমার মনে হয় না কোনো সমস্যা হবে। বিরাট বা রোহিত দলে থাকুক কিংবা না থাকুক, কোনো সমস্যাই হওয়ার কথা নয়’, আরও যোগ করেন তিনি।
এই দুই ক্রিকেটার ইতোমধ্যে কিংবদন্তি হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন পাতিল, ‘এই দুই খেলোয়াড় বহু বছর ধরে খেলছে এবং তারা কিংবদন্তি হিসেবে বিবেচিত হবে। সাদা বলের ক্রিকেটে রোহিত শর্মা অসাধারণ একজন খেলোয়াড়। আর বিরাটের ব্যাপারে যত বেশি বলব, ততই কম বলা হবে।’

