সুপ্রভাত ঢাকা

মার্তিনেজকে নিয়ে ধারণাই বদলে গেল, বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে মুখ খুললেন সিমন

মার্তিনেজকে নিয়ে ধারণাই বদলে গেল, বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে মুখ খুললেন সিমন
ফাইল ছবি

মাঠে তার উদ্‌যাপন, প্রতিপক্ষকে খোঁচা দেওয়া কিংবা পেনাল্টি ঠেকানোর পর দৃষ্টিকটু অঙ্গভঙ্গি। এসব কারণে এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজের পরিচিতি অনেকের কাছেই একটু অন্য রকম। কিন্তু মাঠের বাইরের মার্তিনেজকে কাছ থেকে দেখে সেই ধারণা বদলে গিয়েছিল স্পেনের গোলকিপার উনাই সিমনের। ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের পর আর্জেন্টাইন গোলকিপারের একটি আচরণ তাকে রীতিমতো অবাক করেছিল। এবার সেই অভিজ্ঞতার কথাই জানিয়েছেন সিমন।

বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বার শিরোপা জেতে স্পেন। তবে উনাই সিমনের মনে দাগ কেটেছে সেই ম্যাচের পর মার্তিনেজের আচরণ। শিরোপা খুইয়ে প্রতিপক্ষ গোলকিপারের কাছে গিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন মার্তিনেজ, জড়িয়ে ধরেছিলেন তাকে। বলেছিলেন শুভকামনার কথাও। মার্তিনেজের এমন কান্ডে মুগ্ধ হয়েছিলেন স্প্যানিশ গোলকিপার। টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রতিবেদন।

অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের অফিশিয়াল চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্তিনেজের প্রশংসা করে সিমন বলেন, ‘দিবু আমার চেয়ে একেবারেই আলাদা। তার শারীরিক গঠন ও সামর্থ্যের কারণে তিনি অসাধারণ প্রতিভাবান। তার খেলার ধরনও অনন্য। সব সময় নড়াচড়া করেন, ক্ষিপ্র এবং দ্রুত। উচ্চতাও বেশ ভালো। পেছন থেকে বল খেলার ক্ষেত্রেও তিনি খুব দক্ষ।’

এরপর মাঠের বাইরের মার্তিনেজ সম্পর্কে নিজের ধারণা বদলে যাওয়ার গল্প শোনান সিমন। তার ভাষায়, ‘মাঠের বাইরে তাকে আগে যতবার দেখেছি, তাতে আমার মনে হয়েছিল তিনি একটু উসকানিমূলক আচরণ করেন কিংবা নিজেকে জাহির করতে পছন্দ করেন। তবে বিশ্বকাপ ফাইনালে তিনি এসে আমাকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন, জড়িয়ে ধরেছিলেন, শুভকামনা জানিয়েছিলেন এবং সুন্দর কিছু কথা বলেছিলেন। বিষয়টি আমার খুব ভালো লেগেছিল।’

টেলিভিশনে মার্তিনেজকে দেখে তার সম্পর্কে যে ধারণা তৈরি হয়েছিল, বাস্তবে তা মেলেনি বলেও জানিয়েছেন সিমন। পেনাল্টির সময় প্রতিপক্ষকে চাপে রাখা, আত্মবিশ্বাসী উদ্‌যাপন কিংবা মাঠের নানা অঙ্গভঙ্গিই ছিল মার্তিনেজ সম্পর্কে তার জানাশোনার মূল উৎস।

সিমন বলেন, ‘তিনি আমাকে ইতিবাচকভাবেই অবাক করেছিলেন। প্রতিযোগিতার সময় হয়তো তিনি একটু অন্য রকম আচরণ করেন, কিন্তু আমার মনে হয়েছে তিনি খুব ভালো মানুষ। আমার সঙ্গে তার আচরণ ছিল দারুণ আন্তরিক।’