সুপ্রভাত ঢাকা

চুল টেনে লাল কার্ড দেখলেন দুই খেলোয়াড়

চুল টেনে লাল কার্ড দেখলেন দুই খেলোয়াড়
চুল টেনে লাল কার্ড দেখলেন দুই খেলোয়াড়

ফুটবল মাঠে ট্যাকল, ফাউল কিংবা হাতাহাতির কারণে লাল কার্ড দেখা নিয়মিত ঘটনা। এবার কনকাকাফ নেশনস লিগের ম্যাচে ঘটল অদ্ভুত এক ঘটনা। প্রতিপক্ষ ফুটবলারের অস্বাভাবিক লম্বা চুল ধরে টানার ঘটনায় লাল কার্ড দেখলেন অ্যান্টিগা ও বারবুডার দুই খেলোয়াড়।

অ্যাডেন স্কিপিওর চুল দেখলে যে কারও চোখ আটকে যেতে বাধ্য। গোড়ালি ছাপিয়ে নেমে আসা লম্বা ড্রেডলক! চুল এতটাই লম্বা যে মাঠে নামার সময় কোমরের চারপাশে একটি ব্যান্ডও পরতে হয়, যাতে চুলগুলো শরীরের সঙ্গে বেঁধে রাখা যায়। অ্যাঙ্গুইলার ৩৬ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড কনকাকাফ নেশনস লিগে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার বিপক্ষে নামেন ম্যাচের ৬৯ মিনিটে। ততক্ষণে অ্যাঙ্গুইলা ৫-০ গোলে পিছিয়ে।

মাঠে নামার মাত্র তিন মিনিট পরই স্কিপিওর লম্বা চুল হয়ে ওঠে ম্যাচের আলোচনার মূল বিষয়। তার ড্রেডলকে টান দেওয়ার অপরাধে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার কিওন গ্রিনকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি।

ঘটনার এখানেই শেষ নয়। যোগ করা সময়ে আবারও স্কিপিওর চুল ধরেন অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার শালন নাইট। এবার এত জোরে টান দেওয়া হয় যে স্কিপিও মাটিতে পড়ে যান। ফলাফল- নাইটও দেখেন সরাসরি লাল কার্ড। ৯ জনের দল নিয়ে ম্যাচ শেষ করতে হয় অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডাকে।

অবশ্য স্কিপিওর চুল নিয়ে মাঠে এমন কাণ্ড ঘটলেও ম্যাচের ফল অ্যাঙ্গুইলার পক্ষে যায়নি। তারা হেরেছে ৫-০ গোলে।

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়েও অ্যাঙ্গুইলার অবস্থান বেশ নিচে- ২১০তম। তাদের নিচে আছে শুধু সান মারিনো। তবে ম্যাচের পর স্কোরলাইন ছাপিয়ে আলোচনায় জায়গা করে নিয়েছে স্কিপিওর সেই লম্বা ড্রেডলকই।