সুপ্রভাত ঢাকা

বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা

বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা
ফাইল ছবি

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)। শনিবার সংস্থাটির পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)। আজ শনিবার সংস্থাটির পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

বিডব্লিউওটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৬ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে সুস্পষ্ট লঘুচাপটি নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এরপর ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে এটি গভীর নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী তিন থেকে চার দিন সিস্টেমটি আরও শক্তিশালী হতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

বর্তমানে সিস্টেমটির কেন্দ্র থেকে ১০০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে বাতাসের সর্বোচ্চ গড় গতিবেগ ঘণ্টায় ৩৫ কিলোমিটার। দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠছে। এর প্রভাবে মধ্য বঙ্গোপসাগর ও আশপাশের এলাকায় সাগর ক্রমেই উত্তাল হয়ে উঠছে।

বিডব্লিউওটি জানিয়েছে, বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দরগুলোতে এখনো আবহাওয়া অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কোনো সতর্কসংকেত জারি করা হয়নি। তবে পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে দ্রুত সতর্কসংকেত জারি হতে পারে। এ অবস্থায় মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে গভীর সাগরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জেলেদের উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

বিডব্লিউওটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টা লঘুচাপটি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে। এরপর শক্তি সঞ্চয় করে ধীরে ধীরে পশ্চিম দিকে মোড় নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিম-মধ্য ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে পৌঁছে এটি সর্বোচ্চ শক্তি অর্জন করতে পারে।

লঘুচাপটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘূর্ণিঝড়টির শক্তি কতটা হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

বিডব্লিউওটির তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির বাংলাদেশের উপকূলে সরাসরি আঘাত হানার বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ঘটানোর আশঙ্কা এখন পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না। ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার পর এটি আগামী ২৮ অক্টোবরের দিকে ভারতের উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ অথবা তৎসংলগ্ন দক্ষিণ ওডিশা উপকূল অতিক্রম করতে পারে।