সুপ্রভাত ঢাকা

সমাজে শান্তি থাকুক একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিতরা তা চায় না : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

সমাজে শান্তি থাকুক একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিতরা তা চায় না : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
সমাজে শান্তি থাকুক একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিতরা তা চায় না : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকুক, একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত শক্তিরা তা চায় না। এই দুই শক্তির মেলবন্ধনে যাতে অস্থিরতা বা অরাজকতা সৃষ্টি না হয়, সেই বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

মঙ্গলবার দিনভর যশোর সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে ঘুরে ঘুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন। এ সময় মন্দিরগুলোতে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং মহানবমীর শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

সকালে তিনি আরবপুর ইউনিয়নের খোলাডাঙ্গা কালিতলা আদিবাসী মন্দিরে যান। সেখানে নারী-পুরুষেরা উলুধ্বনি ও ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। সেখানে উপস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মসজিদ-মন্দিরকে রাজনীতির বাইরে রাখতে হবে। ধর্মকে পুঁজি করে কেউ যেন মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে, সেই ব্যাপারেও সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি বলেন, ধর্মীয় বা রাজনৈতিক পরিচয়ে কাউকে দুর্বল বা সবল ভাবার সুযোগ নেই। যশোরের মাটিতে তার যেমন অধিকার, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সন্তানেরও তেমনি সমান অধিকার রয়েছে। বিএনপি কখনো হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানের মধ্যে বিভক্তিতে বিশ্বাস করে না। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া সেই শিক্ষা দিয়েছেন।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈষম্যহীনভাবে মসজিদ, মন্দির, কবরস্থান ও শ্মশানের উন্নয়ন করছেন। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের মূল চেতনা ছিল বৈষম্যহীন, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। নতুন বাংলাদেশে মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীর জায়গা হবে না। রাজনৈতিক বা পারিবারিক পরিচয় বিবেচনা না করে তাদের নির্মূল করাই সরকারের লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রীর সব উদ্যোগ সফল করতে তিনি সবার সহযোগিতা চান।

পরে প্রতিমন্ত্রী দেয়াড়া ইউনিয়নের চান্দুটিয়া সার্বজনীন পূজা মন্দির, চূড়ামনকাটি দাশপাড়া, কাশিমপুরের বিজয়নগর কুন্ডুপাড়া এবং নওয়াপাড়ার বাহাদুরপুর সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরসহ পর্যায়ক্রমে সদর উপজেলার সবগুলো ইউনিয়নে পূজামণ্ডপে গিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এ সময় তার সঙ্গে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, আদিবাসী মন্দির কমিটির সভাপতি মিন্টু কর্মকার ও সাধারণ সম্পাদক বরুণ কর্মকারসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।