সুপ্রভাত ঢাকা

সাতক্ষীরায় তফসিলের আগেই ইউপি নির্বাচন ঘিরে উত্তাপ

সাতক্ষীরায় তফসিলের আগেই ইউপি নির্বাচন ঘিরে উত্তাপ

একটি ভোট। একটি ব্যালট। আর সেই ভোটকে কেন্দ্র করেই কখনো কখনো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পুরো জনপদ। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা থেকে হাতাহাতি, সংঘর্ষ, হামলা, ভাঙচুর- কখনো তা গড়ায় রক্তক্ষয়ী সংঘাতে। নির্বাচনী মাঠের সেই উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে প্রার্থীদের পরিবার, কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষের ঘরেও। কেউ আহত হন, কেউ হারান স্বজন। কোনো পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হাসপাতালে পড়ে থাকেন, আবার কোনো পরিবারকে দীর্ঘদিন বয়ে বেড়াতে হয় সংঘাতের ক্ষত। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরও কোথাও কোথাও বিরোধের রেশ থেকে যায়। ফলে যে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল মানুষের মতামত ও জনপ্রতিনিধি বেছে নেওয়ার উৎসব হিসেবে, সংঘাতের কারণে সেটিই কখনো কখনো পরিণত হয় আতঙ্কের ঘটনায়।

বাংলাদেশের বিভিন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকদের সংঘর্ষের এমন ঘটনা নতুন নয়। ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে প্রচারণা শুরুর পর মাত্র আট দিনে ১৯টি সংঘর্ষের ঘটনা এবং অক্টোবর ২০২৫ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত নির্বাচনী সহিংসতার ১১৩ ঘটনায় ৯৮১ জন আহত ও পাঁচজন নিহত হওয়ার তথ্য প্রকাশ করেছিল The Daily Star, মানবাধিকার সংস্থা HRSS-এর তথ্য উদ্ধৃত করে। নির্বাচনের পরও সংঘাত থেমে যাওয়ার নিশ্চয়তা সবসময় থাকে না। ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর কয়েকটি জেলায় সংঘর্ষে হতাহত ও বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনাও সংবাদে এসেছে।

এই অভিজ্ঞতা থেকে সাতক্ষীরার সাধারণ মানুষের প্রশ্ন - একটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কিংবা সদস্য হওয়ার জন্য কি আবারও কোনো পরিবারকে স্বজন হারানোর ভয়, হামলা কিংবা সংঘাতের মধ্য দিয়ে যেতে হবে? তাঁরা বলছেন, এমন নির্বাচন তাঁরা চান না। তফসিল হয়নি, তবুও মাঠে নির্বাচনী আমেজ এমন বাস্তবতার মধ্যেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে সাতক্ষীরায় শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। এখনো নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়নি। তবে জেলার সাতটি উপজেলা - সাতক্ষীরা সদর, কলারোয়া, তালা, আশাশুনি, দেবহাটা, কালিগঞ্জ ও শ্যামনগর - জুড়ে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীদের তৎপরতায় নির্বাচনী আমেজ তৈরি হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদরের ফুল এলাকার বাবুর চায়ের দোকান থেকে শুরু করে কলারোয়ার বিভিন্ন বাজার, দেবহাটার বিভিন্ন জনপদ, তালা ও আশাশুনির হাট-বাজার, কালিগঞ্জের চায়ের আড্ডা এবং শ্যামনগরের বিভিন্ন ইউনিয়নের বাজারে এখন আলোচনার বড় বিষয় - কে প্রার্থী হচ্ছেন, কে কেমন জনপ্রতিনিধি হতে পারেন এবং নির্বাচিত হলে এলাকার কোন সমস্যাগুলোকে অগ্রাধিকার দেবেন। 

জেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, অধিকাংশ ইউনিয়নেই সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীদের নামে ফেস্টুন, ব্যানার ও পোস্টার টানানো হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম-ছবি সম্বলিত প্রচারসামগ্রীও বিভিন্ন এলাকায় দেখা যাচ্ছে। কোথাও সম্ভাব্য প্রার্থীরা ভোটারদের সঙ্গে গণসংযোগ করছেন, কোথাও তাঁদের সমর্থকেরা বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন। আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে প্রচার-প্রচারণা।

গাছের গায়ে পেরেক, ফেসবুকে এআই পোস্টার । নির্বাচনী প্রচারের মাধ্যমেও দেখা যাচ্ছে পরিবর্তনের চিত্র। সড়কের পাশে, বাজারে ও জনসমাগমস্থলে ফেস্টুন-ব্যানারের পাশাপাশি কোথাও কোথাও গাছের গায়ে পেরেক ঠুকে ব্যানার লাগানোর দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। এতে গাছের ক্ষতি নিয়ে স্থানীয়দের কেউ কেউ উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। অন্যদিকে প্রচারণা এখন শুধু মাঠে সীমাবদ্ধ নেই। ফেসবুকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের পক্ষে নানা ধরনের পোস্টার, ব্যানার, ভিডিও ও প্রচারচিত্র ছড়িয়ে পড়ছে। এর মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি ছবি ও পোস্টারও দেখা যাচ্ছে।

অর্থাৎ তফসিল ঘোষণার আগেই সাতক্ষীরার নির্বাচনী মাঠে প্রচলিত ফেস্টুন-ব্যানারের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রচারণাও জায়গা করে নিয়েছে।

২০২৪-এর অভিজ্ঞতা ভুলতে চান না ভোটাররা। তবে এবার শুধু কে চেয়ারম্যান বা মেম্বার হবেন - এমন আলোচনা নয়; ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর স্থানীয় সরকারব্যবস্থা নিয়ে মানুষের যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, সেটিও ভোটারদের আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন ইউনিয়নে চেয়ারম্যানদের অনুপস্থিতির কারণে নাগরিক সেবা ব্যাহত হওয়ার ঘটনা সংবাদে উঠে এসেছে। কোথাও জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ প্রয়োজনীয় সেবা পেতে মানুষকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।

সাতক্ষীরার ভোটারদের একটি বড় অংশ বলছেন, ভবিষ্যতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি যাই হোক, জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জনগণের পাশেই থাকতে হবে। ফুল এলাকার বাবুর চায়ের দোকানে কথা হয় কয়েকজন ভোটারের সঙ্গে। তাঁদের একজন বলেন, রাজনৈতিক পরিবর্তন হলে জনপ্রতিনিধি যদি এলাকায় না থাকেন, তাহলে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েন সাধারণ মানুষ। তাঁরা এমন পরিস্থিতি আর দেখতে চান না।

‘আমাদের দায়িত্ব নেই’ - এমন কথা আর শুনতে চান না মানুষ। কয়েকজন ভোটার অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন সময়ে ইউনিয়ন পরিষদে সেবা নিতে গিয়ে তাঁদের এমন কথাও শুনতে হয়েছে - আমাদের তো এখন কোনো দায়িত্ব নেই। তাঁদের প্রশ্ন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত একজন জনপ্রতিনিধি রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে যদি দায়িত্ব পালন থেকে সরে যান, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? তাঁদের প্রত্যাশা, রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক, একজন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁর প্রথম দায়িত্ব হবে জনগণের সেবা নিশ্চিত করা।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘাত চান না ভোটাররা। কলারোয়ার বিভিন্ন বাজার, দেবহাটার বিভিন্ন জনপদ এবং শ্যামনগরের কয়েকটি এলাকার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে একই ধরনের আশঙ্কার কথা শোনা গেছে। তাঁদের কেউ কেউ বলছেন, নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী থাকবেন - এটাই গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা। একজনের সমর্থক আরেকজনের প্রতিদ্বন্দ্বী হবেন - এটিও স্বাভাবিক। কিন্তু সেই প্রতিযোগিতা যেন ব্যক্তিগত শত্রুতা, হামলা কিংবা সংঘাতে পরিণত না হয়।

একটি সংঘর্ষের ক্ষতি শুধু নির্বাচনের মাঠে থাকে না। স্থানীয় নাগরিকদের মতে, নির্বাচনী সহিংসতার ক্ষতি শুধু আহত ব্যক্তি বা প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। একটি সংঘর্ষের পর একটি পরিবারের আয় বন্ধ হয়ে যেতে পারে, সন্তানদের পড়াশোনা ব্যাহত হতে পারে, চিকিৎসার জন্য ধার করতে হতে পারে টাকা।কোনো পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি আহত হলে সেই পরিবারকে দীর্ঘদিন তার মূল্য দিতে হয়। আবার সংঘর্ষে বাড়িঘর বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হলে অর্থনৈতিক চাপও তৈরি হয়। এই কারণে ভোটারদের বড় একটি অংশ মনে করেন, নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের চেয়ে মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার মূল্য অনেক বেশি।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিরপেক্ষ ভূমিকা চান সচেতন নাগরিকরা। সচেতন নাগরিকদের প্রত্যাশা, নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসন যেন কোনো রাজনৈতিক পক্ষের প্রভাবের বাইরে থেকে দায়িত্ব পালন করে। তাঁদের মতে, কোনো প্রার্থী বা তাঁর সমর্থকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে দলীয় পরিচয় না দেখে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। একইভাবে সব প্রার্থীকে প্রচার, সভা ও ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সমান সুযোগ দিতে হবে। নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে তাঁদের প্রত্যাশা - কোনো কেন্দ্র দখল নয়, কোনো ভয়ভীতি নয়, কোনো হামলা নয়; ভোটার নিজের পছন্দের প্রার্থীকে নিরাপদে ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরবেন।

সাতক্ষীরার ভোটারদের আরেকটি বক্তব্য, প্রার্থী যে রাজনৈতিক দলেরই হোন না কেন, ভোটারের অধিকার সবার সমান। আবুসাইদ নামের একজন ভোটার বলেন, রাজনৈতিক দলের প্রার্থী থাকবেন। দলীয় পরিচয় থাকতেই পারে। কিন্তু নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁকে শুধু দলের মানুষের জন্য নয়, পুরো ইউনিয়নের মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। ভোটাররা চান, প্রার্থী যেন নির্বাচনের সময় যে প্রতিশ্রুতি দেন, দায়িত্ব পাওয়ার পর তার বাস্তবায়নে কাজ করেন। দরিদ্র, অসহায়, সংখ্যালঘু, ভিন্নমত বা বিরোধী রাজনৈতিক মতের মানুষ - কেউ যেন সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত না হন।

স্থানীয় সমস্যাগুলোও ভোটের আলোচনায়। সাতক্ষীরার বিভিন্ন উপজেলার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে স্থানীয় পর্যায়ে কয়েকটি বিষয়কে গুরুত্ব দিতে দেখা গেছে। এর মধ্যে রয়েছে জলাবদ্ধতা নিরসন, গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন, পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন ও নাগরিক সনদ পেতে হয়রানি বন্ধ, মাদক নিয়ন্ত্রণ, কৃষকের সার-বীজের সুষ্ঠু বণ্টন এবং বয়স্ক ও বিধবা ভাতা প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া। তালা ও আশাশুনির বিল এলাকার মানুষের কাছে জলাবদ্ধতা বড় সমস্যা। কলারোয়া ও সাতক্ষীরা সদরের বিভিন্ন এলাকার মানুষের প্রত্যাশা গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন। দেবহাটা, কালিগঞ্জ ও শ্যামনগরের সীমান্ত ও উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দারা আইনশৃঙ্খলা, মাদক নিয়ন্ত্রণ ও নাগরিক সেবাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।

সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে তরুণ ও শিক্ষিতদের তৎপরতাও দেখা যাচ্ছে। কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এলাকার সমস্যা তুলে ধরছেন, কেউ উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রকাশ করছেন। তাঁদের সমর্থকেরা নাগরিক সেবা ডিজিটাল করা, জন্মনিবন্ধন ও নাগরিক সনদ সহজ করা এবং ইউনিয়ন পরিষদকে আরও জনবান্ধব করার কথা বলছেন। অন্যদিকে বর্তমান জনপ্রতিনিধিদের কেউ কেউ তাঁদের মেয়াদে বাস্তবায়িত উন্নয়নকাজ ও বিভিন্ন সরকারি সহায়তা কার্যক্রম তুলে ধরে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।

ভোটারদের ভয় একটাই - ভোট যেন রক্তাক্ত না হয়। সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে যে বিষয়টি সবচেয়ে স্পষ্ট হয়ে উঠছে, তা হলো - তাঁরা নির্বাচন চান, কিন্তু সংঘাত চান না। তাঁরা প্রার্থী চান, প্রতিদ্বন্দ্বিতা চান, রাজনৈতিক মতের ভিন্নতা চান; কিন্তু চান না সেই ভিন্নতা হোক প্রতিপক্ষের ওপর হামলার কারণ। চান না একটি ভোটের জন্য দুটি পরিবারে শত্রুতা তৈরি হোক। চান না কোনো মায়ের সন্তান আহত হয়ে হাসপাতালে পড়ে থাকুক কিংবা কোনো শিশুকে তার বাবা বা স্বজনকে হারানোর কষ্ট পেতে হোক।

তফসিল এখনো ঘোষণা হয়নি। কিন্তু সাতক্ষীরার সাত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এরই মধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা, ফেস্টুন-ব্যানার, গণসংযোগ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারণায় নির্বাচনী আলোচনা জমে উঠেছে। তবে শেষ পর্যন্ত কারা প্রার্থী হবেন, কতজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এবং নির্বাচনী পরিবেশ কেমন হবে - তা তফসিল ও পরবর্তী নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হলে আরও স্পষ্ট হবে।

সাতক্ষীরার ভোটারদের প্রত্যাশা - নির্বাচন হোক প্রতিদ্বন্দ্বিতার, প্রতিশোধের নয়; প্রচারণা হোক যুক্তি ও উন্নয়নের, সংঘাতের নয়; ভোট হোক নির্ভয়ে, ফল মেনে নেওয়ার সংস্কৃতি থাকুক সবার মধ্যে। কারণ একটি ইউনিয়ন পরিষদের একটি পদ কারও জীবনের চেয়ে বড় নয়। একজন জনপ্রতিনিধির জয়-পরাজয়ের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিবারের নিরাপত্তা, একজন ভোটারের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার এবং একটি জনপদের শান্তি। সামনের ইউপি নির্বাচন সেই শান্তি, সহনশীলতা ও জনসেবার প্রত্যাশা কতটা পূরণ করতে পারে - এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।