পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পুজাকে কেন্দ্র করে পৌর শহর সহ উপজেলার ১৭টি পুজা মন্ডপে প্রতিমা তৈরীতে রংয়ের কাজ প্রায় শেষ প্রান্তে।
পাশাপাশি মন্ডপ ক্যাম্পাসে বিভিন্ন রংয়ের লাইটিং এবং সাজ সাজ সজ্জার কাজ চলছে পুরোদমে।
পুজার আয়োজকরা হন্যে হয়ে ঘুরছে বিভিন্ন দোকান পাট, বাসা বাড়ী, অফিস আদালতে অর্থ সংগ্রহে।
উপজেলা প্রশাসন সহ পুলিশ প্রশাসন টহল অব্যাহত রেখেছে মন্দিরে মন্দিরে। হিন্দু সম্প্রদায়ের শিশু-কিশোর থেকে বয়োবৃদ্ধরা নতুন পোশাক পরিচ্ছদ ক্রয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। দোকানীরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন বেচা-বিক্রিতে।
১৭ টি পুজা মন্ডপ গুলো হলো, শ্রী শ্রী জগন্নাথ আখড়া নাট সার্বজনীন কেন্দীয় মন্দির, চিংগড়িয়া সার্বজনীন দূর্গা পুজা মন্ডপ, বাদুরতলী সার্বজনীন দুর্গা মন্ডপ, কুয়াকাটা রাধা কৃষ্ণ মন্দির ও তীর্থ যাত্রী সেবাশ্রম,পাখিমারা সার্বজনীন দুর্গা মন্ডপ,নীলগঞ্জ রাধাকৃষ্ণ সেবাশ্রম ও লোকনাথ মন্দির, চাকামইয়া শান্তিপুর সার্বজনীন পুজা মন্ডপ, ধানখালী নমরহাট সার্বজনীন পুজা মন্ডপ, লতাচাপলী সার্বজনীন কালিমাতা পুজা মন্ডপ, আলীপুর রাধাকৃষ্ণ মন্দির, মম্বিপাড়া সার্বজনীন পুজা মন্ডপ, পশ্চিম চালিতাবুনিয়া ভোলানাথ ভাটবাড়ী পুজা মন্ডপ, মাছুয়াখালী সার্বজনীন পুজা মন্ডপ, মহিপুর সার্বজনীন পুজা মন্ডপ,চালিতাবুনিয়া সার্বজনীন পুজা মন্ডপ, পূর্বমনোহরপুর হরিগুরু বিপিন চাঁদ সেবাশ্রম পুজা মন্ডপ, পূর্বমনোহরপুর( বড়ইতলা) সার্বজনীন পুজা মন্ডপ।
আগামী ১৬অক্টোবর ষষ্ঠীপুজার মধ্য দিয়ে পুজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু, ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে পুজার সমাপ্তি ঘটবে।
এবার দুর্গা দেবী ঘোটকে আগমন করবেন, গমন করবেন নৌকায়।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা পুজা উদযাপন ফ্রন্টের সদস্য সচিব দেবাশীষ শিকদার কালা জানান, পুজা শান্তিপূর্ণভাবে উদযা্পনের লক্ষে উপজেলা বিএনপি এবং তার অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আন্তরিক।
এছাড়া উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন বিভিন্ন ভাবে খোঁজ -খবর নিচ্ছেন। এবছর গত বছরের তুলনায় উপজেলায় দু'টি পুজা মন্ডপে বেশী পুজা উদযা্পিত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

